Subscribe Us

হে পথিক ভবিষ্যৎ বলে কিছু নাই ,আসোল ভবিষ্যৎ হলো পরোকাল।।

ষষ্ঠ অনুচ্ছেদ: যা দিয়ে সেহরি করা সুন্নাত🌴

 

ষষ্ঠ অনুচ্ছেদ: যা দিয়ে সেহরি করা সুন্নাত🌴

খেজুর দিয়ে সেহরি করা সুন্নাত।

সুন্নাহ থেকে দলিল:

আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, নবী (সা.) বলেছেন: "মুমিনের সর্বোত্তম সেহরি হলো খেজুর।"


হাদিসের মান ও রেফারেন্স:

·        হাদিসের মান: সহীহ

·        উৎস: ইমাম আবু দাউদ এটি বর্ণনা করেছেন (হাদিস নং ২৩৪৫)। এছাড়াও ইমাম ইবনে হিব্বান (৩৪৭৫), ইমাম বাযযার (৮৫৫০) এবং ইমাম বায়হাকী (৮১৯৭) এটি বর্ণনা করেছেন।

·        সংশোধনকারী (মুহাক্কিক): ইমাম ইবনে হিব্বান, ইবনুল মুলাক্কিন তাঁর শারহু সহীহিল বুখারী গ্রন্থে (১৩/১৩৬) এবং ইমাম আলবানী তাঁর সহীহ সুনানে আবু দাউদ গ্রন্থে (২৩৪৫) একে সহীহ বলেছেন।


হাদিসের বিস্তারিত ব্যাখ্যার (শরহ) অনুবাদ:

খেজুরের বহুবিদ উপকারিতা এবং বিশেষ ফজিলত রয়েছে। নবী কারীম এর প্রতি বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছেন এবং এর প্রতি উৎসাহিত করেছেন। এমনকি মদিনায় সাহাবায়ে কেরামের জীবন অনেকাংশেই এই খেজুরের ওপর নির্ভরশীল ছিল।

 

এই হাদিসে নবী কারীম বলছেন: "মুমিনের কতই না চমৎকার সাহরী হলো খেজুর"। অর্থাৎ, রোজার প্রস্তুতির জন্য শেষ রাতে (সাহরীর সময়) একজন মুমিনের শ্রেষ্ঠ খাবারের অন্যতম হলো খেজুর। এর কারণ হলো—সাহরীর বরকতময় সময় এবং খেজুরের বরকত; এই উভয়টি রোজাদারকে সারাদিন সতেজ থাকতে সাহায্য করে।


হাদিস থেকে প্রাপ্ত শিক্ষণীয় ও বিশেষ দিকসমূহ:

খেজুরের মাধ্যমে সাহরীর সুন্নাত: সাহরীতে অন্য খাবারের পাশাপাশি বা কেবল খেজুর খাওয়ার প্রতি বিশেষ উৎসাহ প্রদান করা হয়েছে।

পুষ্টি ও বরকতের সমন্বয়: খেজুর কেবল একটি সুস্বাদু ফল নয়, বরং এটি দ্রুত শক্তি প্রদানকারী একটি খাবার যা রোজাদারের শারীরিক ক্লান্তি দূর করতে সহায়ক।

মুমিনের বৈশিষ্ট্য: একজন সচেতন মুমিন তার প্রতিটি কাজে সুন্নাহর অনুসরণ খোঁজে, এমনকি সাহরীর খাবারের নির্বাচনের ক্ষেত্রেও।

চিকিৎসা বিজ্ঞান ও সুন্নাহ: আধুনিক পুষ্টিবিজ্ঞান অনুযায়ী, খেজুরে থাকা ফ্রুক্টোজ এবং ফাইবার দীর্ঘ সময় শরীরে শক্তি ধরে রাখতে সাহায্য করে, যা নবীজীর এই বাণীর অলৌকিকত্ব প্রমাণ করে।

 

Post a Comment

0 Comments