Subscribe Us

হে পথিক ভবিষ্যৎ বলে কিছু নাই ,আসোল ভবিষ্যৎ হলো পরোকাল।।

প্রশ্ন: পুরুষের জন্য অর্ধেক হাতাওয়ালা পোশাকে (হাফ হাতা) নামাজ পড়ার বিধান কী? খাটো হাতা বিশিষ্ট জামা (হাফ হাতা) পরে ইমামতি করার বিষয়ে ওলামায়ে কেরামের অভিমত:

প্রশ্ন: পুরুষের জন্য অর্ধেক হাতাওয়ালা পো
শাকে (হাফ হাতা) নামাজ পড়ার বিধান কী
?

উত্তর: এতে কোনো অসুবিধা নেই। পুরুষ এমন পোশাকে নামাজ পড়তে পারে যাতে তার হাতের অর্ধেক অংশ, পুরো হাতের নিচের অংশ (কনুই থেকে কবজি) কিংবা পুরো বাহু খোলা থাকে; কারণ এগুলো সতর বা লজ্জাবস্থান নয়।

যদি পুরুষ লুঙ্গি বা ইজার পরিহিত থাকে এবং তার দুই কাঁধের ওপর কিছু (কাপড়) থাকে, তবে তা নামাজের জন্য যথেষ্ট।

সুতরাং পুরুষের হাত বা পা সতর নয়। মূলত নারীর ক্ষেত্রে পুরো শরীরই সতর। পক্ষান্তরে, নামাজে পুরুষের সতর হলো নাভি থেকে হাঁটু পর্যন্ত, সেই সাথে অন্তত একটি কাঁধ ঢাকা থাকা আবশ্যক [১]


সূত্র: [১] ১৪০৭ হিজরি সালের হজের প্রশ্নোত্তর পর্ব থেকে সংগৃহীত; ক্যাসেট নং ২ (মাজমু' ফাতাওয়া ওয়া মাক্বালাত আশ-শায়খ ইবনে বাজ ২৯/২২০)।

খাটো হাতা বিশিষ্ট জামা (হাফ হাতা) পরে ইমামতি করার বিষয়ে ওলামায়ে কেরামের অভিমত:

ফতোয়া নম্বর: ৪৭৬৫৫৭ | ৯৫১১


প্রশ্ন: মসজিদে খাটো হাতা (হাফ হাতা) বিশিষ্ট পোশাক পরে মানুষের ইমামতি করা কি জায়েজ?

উত্তর: আলহামদুলিল্লাহ। সালাত ও সালাম বর্ষিত হোক রাসূলুল্লাহ , তাঁর পরিবারবর্গ এবং তাঁর সাথীবর্গের ওপর।

এতে কোনো সন্দেহ নেই যে, ইমামের জন্য উত্তম হলো সৌন্দর্য বজায় রাখা এবং মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্য মার্জিত পোশাক পরিধানের ব্যাপারে যত্নশীল হওয়া। তবে খাটো হাতা বিশিষ্ট জামা পরে ইমামতি করাতে কোনো দোষ নেই। কারণ, দুই কাঁধ ঢেকে রাখা অবস্থায় নামাজ পড়া বিশুদ্ধ। এতে হাত বা বাহু খোলা থাকায় কোনো ক্ষতি নেই। মূলত নিষেধ করা হয়েছে দুই কাঁধ খোলা রেখে নামাজ পড়তে। এর দলিল হলো:

[১] সহীহাইন (বুখারী ও মুসলিম) ও অন্যান্য কিতাবে বর্ণিত আবু হুরায়রা (রা.)-এর হাদিস, রাসূলুল্লাহ বলেছেন:

"তোমাদের কেউ যেন এমন একটি কাপড়ে নামাজ না পড়ে যার কিছু অংশ তার কাঁধের ওপর নেই।" [১] সহীহ বুখারী, হাদিস নং ৩৫৯; সহীহ মুসলিম, হাদিস নং ৫১৬।

[২] সহীহাইন-এ সাঈদ বিন হারিস থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আমরা জাবির বিন আব্দুল্লাহ (রা.)-কে একটি কাপড়ে নামাজ পড়া সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বলেন:

"আমি কোনো এক সফরে নবী -এর সাথে বের হয়েছিলাম। এক রাতে আমি কোনো এক প্রয়োজনে তাঁর কাছে এসে তাঁকে নামাজরত অবস্থায় পেলাম। তখন আমার গায়ে একটি কাপড় ছিল, আমি তা জড়িয়ে তাঁর পাশে নামাজে দাঁড়িয়ে গেলাম। নামাজ শেষে তিনি বললেন: ‘হে জাবির, রাতে আসার কারণ কী?’ আমি তাঁকে আমার প্রয়োজনের কথা জানালাম। কথা শেষ হলে তিনি বললেন: ‘তোমাকে এভাবে কাপড় জড়াতে দেখলাম কেন?’ আমি বললাম: ‘কাপড়টি ছোট ছিল।’ তিনি বললেন: ‘কাপড় প্রশস্ত হলে তা (শরীরের ওপরের অংশসহ) জড়িয়ে নেবে, আর সংকীর্ণ হলে তা দিয়ে লুঙ্গি বানিয়ে নেবে (নিচের অংশ ঢাকবে)।" [২] সহীহ বুখারী, হাদিস নং ৩৬১; সহীহ মুসলিম, হাদিস নং ৩০১০।

[৩] মুসনাদে আহমাদে আব্দুল্লাহ বিন ওমর (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলতেন:

"কারো কাছে যদি একটি মাত্র কাপড় থাকে, তবে সে যেন তা দিয়ে লুঙ্গি বানিয়ে নামাজ পড়ে।

আমি ওমর ইবনুল খাত্তাব (রা.)-কে তা বলতে শুনেছি। তিনি আরও বলতেন: ‘তোমাদের কাছে যখন একটি মাত্র কাপড় থাকে, তখন ইহুদিদের মতো তা গায়ে জড়িয়ে নিও না (কাঁধ খালি রেখে)।’

নাফে (রহ.) বলেন: ‘আমি যদি বলি যে তিনি (ইবনে ওমর) কথাটি রাসূলুল্লাহ পর্যন্ত পৌঁছিয়েছেন (মারফু হাদিস), তবে আমি মিথ্যাবাদী হব না বলে আশা রাখি।’" (হাদিসটি আলবানী সহীহ বলেছেন)। [৩] মুসনাদে আহমাদ, হাদিস নং ৪৬৫৫; সিলসিলাতুস সহীহাহ, হাদিস নং ২৬৮১।

[৪] জমহুর বা অধিকাংশ ওলামায়ে কেরামের মতে, কারো কাঁধ খোলা থাকলেও তার নামাজ বিশুদ্ধ হবে।

তবে ইমাম আহমাদ (রহ.)-এর প্রসিদ্ধ মতটি এর ভিন্ন (অর্থাৎ কাঁধ ঢাকা আবশ্যক)। যদিও তাঁর একটি বর্ণনা জমহুর ওলামাদের মতের সাথে মিলে যায়। ইমাম নববী (রহ.) আবু হুরায়রা (রা.)-এর ওপরোক্ত হাদিসের ব্যাখ্যায় বলেছেন:

"ইমাম মালিক, আবু হানিফা, শাফেয়ী (রহ.) এবং জমহুর ওলামায়ে কেরামের মতে—এই নিষেধটি 'তানজিহ' (অপছন্দনীয় বা মাকরূহ) অর্থে, 'তাহরিম' (হারাম) অর্থে নয়।

সুতরাং কেউ যদি এমন একটি কাপড়ে নামাজ পড়ে যা দিয়ে তার সতর ঢাকা হয়েছে কিন্তু কাঁধের ওপর কিছু নেই, তবে তার নামাজ বিশুদ্ধ হবে, যদিও তা মাকরূহ হবে। কাঁধের ওপর দেওয়ার মতো কাপড় থাকুক বা না থাকুক। অপরদিকে ইমাম আহমাদ এবং পূর্বসূরি একদল ওলামা বলেছেন: ‘যদি কাঁধের ওপর দেওয়ার মতো কাপড় থাকে তবে তা না দিলে নামাজ বিশুদ্ধ হবে না।’ আর ইমাম আহমাদ থেকে অন্য এক বর্ণনায় পাওয়া যায় যে, নামাজ বিশুদ্ধ হবে কিন্তু তা ত্যাগ করার কারণে গুনাহ হবে।

জমহুর ওলামাদের দলিল হলো জাবির (রা.)-এর হাদিস, যেখানে রাসূলুল্লাহ বলেছেন: ‘কাপড় প্রশস্ত হলে তা জড়িয়ে নেবে (কাঁধসহ), আর সংকীর্ণ হলে লুঙ্গি বানিয়ে নেবে’ (বুখারী ও মুসলিম)।" [৪] শরহে মুসলিম লিল নববী, খণ্ড ৪, পৃষ্ঠা ২৩২।

আল্লাহই সর্বজ্ঞ।

সূত্র ও রেফারেন্স: [১] সহীহ বুখারী, হাদিস নং ৩৫৯; সহীহ মুসলিম, হাদিস নং ৫১৬।

[২] সহীহ বুখারী, হাদিস নং ৩৬১; সহীহ মুসলিম, হাদিস নং ৩০১০।

[৩] মুসনাদে আহমাদ, হাদিস নং ৪৬৫৫; সিলসিলাতুস সহীহাহ, হাদিস নং ২৬৮১।

[৪] শরহে মুসলিম লিল নববী, খণ্ড ৪, পৃষ্ঠা ২৩২।

 অর্ধ হাতা (হাফ হাতা) পোশাকে এবং মাথা খোলা রেখে নামাজ পড়ার বিধান

ফতোয়া নম্বর: ৬৮৮১৫

প্রশ্ন: আমি অর্ধ হাতা (হাফ হাতা) শার্ট পরে এবং মাথা খোলা রেখে নামাজ পড়ি। আমাদের মসজিদের মুসল্লিরা এতে আপত্তি জানান। আমাকে বলা হয়েছে যে, এ ধরণের পোশাক পরা এবং সুন্নাহ অনুসরণ না করার কারণে আমি নামাজের কিছু সওয়াব থেকে বঞ্চিত হবো। নবী -এর সুন্নাহ অনুযায়ী নামাজের উপযুক্ত পোশাক কোনটি?

উত্তর:

সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্য, সালাত ও সালাম বর্ষিত হোক রাসূলুল্লাহ -এর ওপর। এরপর:

প্রথমত: আল্লাহ তাআলা নামাজিকে নামাজের জন্য সৌন্দর্য অবলম্বন ও সুসজ্জিত হওয়ার নির্দেশ দিয়ে বলেছেন:

"হে বনী আদম! তোমরা প্রত্যেক নামাজের সময় তোমাদের সাজসজ্জা (সুন্দর পোশাক) গ্রহণ করো।" (সূরা আল-আরাফ: ৩১)।

নামাজের জন্য সুসজ্জিত হওয়া কেবল সতর (লজ্জাস্থান) ঢাকার চেয়ে অতিরিক্ত একটি বিষয়। এজন্যই নারীকে নামাজের সময় মাথা ঢাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যদিও মাহরামদের সামনে তার মাথা খোলা রাখা জায়েজ।

শাইখুল ইসলাম ইবনে তাইমিয়্যাহ (রহ.) বলেছেন:

"নামাজের জন্য সুসজ্জিত হওয়া সতর ঢাকার চেয়েও অতিরিক্ত বিষয়। এর ভিত্তি হলো কুরআন, সুন্নাহ এবং ইজমা (ঐক্যমত)। কুরআন থেকে দলিল হলো আল্লাহর বাণী—'তোমরা প্রত্যেক মসজিদে (নামাজের সময়) তোমাদের সাজসজ্জা গ্রহণ করো'যখন মুশরিকরা উলঙ্গ হয়ে কাবার চারপাশ তাওয়াফ করত, তখন আল্লাহ এই আয়াতটি নাজিল করেন। আর সিজদার প্রতিটি স্থানই হলো মসজিদ। এটি প্রমাণ করে যে, নামাজ ও তাওয়াফে সতর ঢাকা একটি উদ্দেশ্যমূলক সৌন্দর্য চর্চা। এজন্যই আয়াতে 'সতর' (আবরণ) শব্দের পরিবর্তে 'জিনাহ' (সাজসজ্জা) শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে, যাতে স্পষ্ট হয় যে বান্দার উদ্দেশ্য কেবল সতর ঢাকা নয়, বরং সুসজ্জিত হওয়া।" [১]

সুন্নাহ থেকে দলিল হলো নবী -এর বাণী: "আল্লাহ তাআলা ঋতুবতী (প্রাপ্তবয়স্ক) নারীর নামাজ খিমার (মাথা ঢাকা) ছাড়া কবুল করেন না।"

ইজমা বা ঐক্যমত সম্পর্কে আবু বকর ইবনুল মুনযির বলেছেন: "ওলামায়ে কেরাম একমত হয়েছেন যে, একজন স্বাধীন ও প্রাপ্তবয়স্ক নারীর জন্য নামাজের সময় মাথা ঢাকা আবশ্যক। যদি সে পুরো মাথা খোলা রেখে নামাজ পড়ে, তবে তাকে সেই নামাজ পুনরায় পড়তে হবে।" [১]

দ্বিতীয়ত: এ থেকে স্পষ্ট হয় যে, নামাজির উচিত নামাজের জন্য সাজসজ্জা গ্রহণ করা। আর এই সাজসজ্জার বিষয়টি এক দেশ থেকে অন্য দেশে তাদের প্রচলিত প্রথা (উরফ) অনুযায়ী ভিন্ন হতে পারে। যেমন প্রশ্নে উল্লেখিত অর্ধ হাতা জামা ও মাথা খোলা রাখার বিষয়টি। যদি কোনো দেশের প্রথা অনুযায়ী পূর্ণ সাজসজ্জা বলতে মাথা ঢাকা এবং লম্বা হাতার জামা পরা বোঝায়, তবে মাথা খোলা রেখে বা অর্ধ হাতা জামা পরে নামাজ পড়া আল্লাহ প্রদত্ত নির্দেশের পরিপন্থী হবে—যদিও নামাজটি সহীহ বা শুদ্ধ হবে। আর যদি কোনো দেশে এই ধরণের পোশাকই স্বাভাবিক পোশাক হিসেবে গণ্য হয়, তবে এভাবে নামাজ পড়াতে কোনো দোষ নেই।

এখানে আরও জানা প্রয়োজন যে, হুকুমটি পোশাকের ধরণের ওপরও নির্ভর করে। যদি হাফ হাতা জামা কোনো সমাজে এমন হয় যে তা পরে মানুষ কাজে বা জনসম্মুখে যায় এবং একে মার্জিত পোশাক মনে করা হয়, তবে তা পরে নামাজ পড়াতে অসুবিধা নেই। কিন্তু যদি এমন হয় যে, এই পোশাকটি কেবল ঘরে থাকার সময় বা ঘুমানোর সময় পরা হয় এবং একে সাজসজ্জার পোশাক মনে করা হয় না, তবে এমন পোশাকে নামাজ পড়া উচিত নয়।

ওলামায়ে কেরামের ফাতাওয়া অনুযায়ী এই বিধানটি প্রতিটি দেশের প্রচলিত রীতির (আদত/উরফ) ওপর নির্ভরশীল।

১. শাইখ আব্দুল আজিজ বিন বাজ (রহ.)-কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল: একজন ইমাম মাথা না ঢেকে মানুষকে নামাজ পড়ালে তার হুকুম কী? তিনি উত্তর দিয়েছেন:

"এতে কোনো দোষ নেই; কারণ মাথা সতরের অন্তর্ভুক্ত নয়। ওয়াজিব হলো ইজার (লুঙ্গি) ও রিদা (চাদর) পরে নামাজ পড়া; কারণ নবী বলেছেন: 'তোমাদের কেউ যেন একটি কাপড়ে এমনভাবে নামাজ না পড়ে যার কিছু অংশ তার কাঁধের ওপর নেই।' তবে যদি সে পূর্ণ সাজসজ্জা ও পোশাক পরিধান করে, তবে তা উত্তম। কিন্তু যদি এমন কোনো দেশ হয় যেখানে মাথা ঢাকা তাদের প্রথা নয়, তবে মাথা খোলা রাখাতে কোনো অসুবিধা নেই।" [২]

২. তাঁকে আরও জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল: পাগড়ি ছাড়া নামাজ পড়া কি জায়েজ? ইমামের জন্য কি গুতরা (আরবীয় রুমাল) ছাড়া নামাজ পড়া জায়েজ? টুপি কি যথেষ্ট হবে? তিনি উত্তর দিয়েছেন:

"পাগড়ি ছাড়া নামাজ পড়াতে কোনো অসুবিধা নেই; কারণ মাথা সতর নয় এবং নামাজে তা ঢাকা ওয়াজিব নয়—চাই তিনি ইমাম হোন বা একা নামাজ পড়ুক। তবে প্রচলিত পাগড়ি বা টুপি পরা উত্তম, বিশেষ করে যখন মানুষের সাথে নামাজ পড়ে; কারণ এটি সাজসজ্জার অন্তর্ভুক্ত। এটিও জানা কথা যে, পুরুষরা ইহরাম অবস্থায় মাথা খোলা রেখে নামাজ পড়ে; কারণ তখন মাথা ঢাকা নিষেধ। এ থেকে বোঝা যায় যে নামাজে মাথা খোলা রাখাতে কোনো দোষ নেই।" [৩]

৩. শাইখ ইবনে উসাইমীন (রহ.) বলেছেন:

"ইবনে উমর (রা.) থেকে বর্ণিত যে, তিনি তাঁর গোলাম নাফে’-কে বলেছিলেন—'তুমি কি মানুষের সামনে মাথা খোলা রেখে বের হও?' তিনি বললেন—'না'ইবনে উমর বললেন—'তাহলে আল্লাহ তাআলাই তো লজ্জার অধিক হকদার।' এটি প্রমাণ করে যে মাথা ঢাকা উত্তম। তবে আমরা যদি সূরা আরাফের ৩১ নম্বর আয়াতের আলোকে বিষয়টি দেখি, তবে স্পষ্ট হয় যে—যে জাতির কাছে মাথা ঢাকা সাজসজ্জার অংশ, সেখানে মাথা ঢাকা উত্তম। আর যেখানে এটি সাজসজ্জার অংশ নয়, সেখানে আমরা বলব না যে ঢাকা উত্তম বা খোলা রাখা উত্তম। নবী থেকে প্রমাণিত যে তিনি পাগড়ি পরে নামাজ পড়তেন এবং পাগড়ি মাথা ঢেকে রাখে।" [৪]

আল্লাহই ভালো জানেন।


সূত্র ও রেফারেন্স:

[১] শরহুল উমদাহ (ইবনে তাইমিয়্যাহ), খণ্ড ৪, পৃষ্ঠা ২৫৮-২৫৯ (সংক্ষেপিত)।

[২] মাজমু’ ফাতাওয়া ইবনে বাজ, খণ্ড ১০, পৃষ্ঠা ৪০৫-৪০৬।

[৩] মাজমু’ ফাতাওয়া ইবনে বাজ, খণ্ড ১০, পৃষ্ঠা ৪০৬।

[৪] আশ-শারহুল মুমতি’ (ইবনে উসাইমীন), খণ্ড ২, পৃষ্ঠা ১৬৬।




অনুবাদ ও সম্পাদনা: রাসিকুল ইসলাম।




Post a Comment

0 Comments